ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ভোটের ব্যয় ৩ হাজার কোটি

 Logo


Logo






ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে সরকারের ব্যয়ের অঙ্ক ছুঁয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। যার এক-তৃতীয়াংশ জোগান দেওয়া হবে চলতি বাজেটের ‘অপ্রত্যাশিত’ খাত থেকে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই সঙ্গে হওয়ায় বাজেটে যে বরাদ্দ রাখা ছিল, সে তুলনায় আরও অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ফলে অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা মেটাতে অপ্রত্যাশিত খাতে রাখা ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

সূত্রমতে, নির্বাচন পরিচালনা ব্যয় অনুমোদনের জন্য সম্প্রতি অর্থ বিভাগ থেকে অর্থ উপদেষ্টার কাছে একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বিশেষ কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন খাতে ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ অর্থ শুধু ত্রয়োদশ নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।’ সেখানে আরও বলা হয়, বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে ৫০ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশ অর্থছাড় প্রক্রিয়াধীন। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজন, নির্বাচনে প্রবাসী এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এজন্য কমিশন উল্লিখিত বরাদ্দের বাইরে আরও ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা চেয়েছে, যা বরাদ্দের যৌক্তিকতা রয়েছে বলে প্রতীয়মান।

সারসংক্ষেপে আরও বলা হয়, চলতি অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে জাতীয় বাজেটে ২ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। এ বরাদ্দ থেকে নির্বাচন কমিশন যে অতিরিক্তি অর্থ চেয়েছে, তা সংকুলান সম্ভব হবে না। সেটি বিবেচনায় নিয়ে চলতি বাজেটের অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অতিরিক্ত বরাদ্দ করা যেতে পারে। 

সূত্র জানায়, মূল বাজেট থেকে বরাদ্দের ৫০ শতাংশ হিসাবে ছাড় করেছে ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা। এছাড়া বর্ধিত ব্যয়ের প্রস্তাবটি সামনে এলে অপ্রত্যাশিত খাত থেকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ থেকে প্রথম কিস্তি বাবদ গত সপ্তাহে ছাড় করা হয়েছে ২৬৭ কোটি টাকা। অপ্রত্যাশিত খাতের বাকি তিন কিস্তির ৮০২ কোটি টাকা পর্যায়ক্রমে ছাড় করা হবে।

নির্বাচন কমিশন ব্যয়ের যে ফর্দ করেছে, তাতে ভোটের খরচ আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

এদিকে দেশের অর্থনীতি চাপের মুখে থাকলেও ত্রয়োদশ নির্বাচনের ব্যয় নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে যে অর্থ চাওয়া হবে, তা বরাদ্দ দেওয়া হবে। টাকা নিয়ে সমস্যা হবে না। 

জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান রোববার যুগান্তরকে বলেন, একটি ভালো নির্বাচন করতে হলে অর্থের প্রয়োজন হবে। তবে অপ্রত্যাশিত খাত থেকে বরাদ্দ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সরকার অপ্রত্যাশিত খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখে। এ খাত থেকে ব্যয় করা হলে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। এমন যদি হতো অন্য কোনো খাত থেকে যেমন : শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগের বরাদ্দ কমিয়ে নির্বাচনে খরচ বাড়ানো হচ্ছে, সেক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার শঙ্কা ছিল। তবে নজর রাখতে হবে, খুব স্বল্প সময়ে নির্র্বাচনসংক্রান্ত বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হবে। এ ব্যয়ের গুণগত মান, ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে নির্বাচনসংক্রান্ত এ বিপুল অঙ্কের অর্থব্যয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)। এতে বলা হয়, ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০২৬ এবং দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০২৫সহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়ম যথাযথ অনুসরণ করতে হবে। ইতোমধ্যে বরাদ্দকৃত ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা এবং অতিরিক্ত বরাদ্দের ১ হাজার ৭০ কোটি টাকার প্রথম কিস্তি ২৬৮ কোটি টাকার প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে অবশিষ্ট দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তি ছাড় করা হবে। এছাড়া নির্বাচনসংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় ব্যয় ইসি সচিবালয়ের জাতীয় বাজেট থেকে নির্বাহ করতে হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, যে খাতে ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হলো, সেই খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে এ অর্থ খরচ করা যাবে না। এ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম উদ্ঘাটিত হলে ব্যয়কারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। আর বরাদ্দকৃত অর্থ সাশ্রয় হলে ৩০ জুনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, এ বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অনুষ্ঠিত হবে। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন ১৮টি খাতে অর্থ ব্যয় করছে বলে অর্থ বিভাগকে অবহিত করেছে। 

এদিকে ত্রয়োদশ নির্বাচন পরিচালনার আর্থিক ব্যয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের দৈনিক খোরাকি ভাতায়। এতে বরাদ্দ থাকছে ৭৩০ কোটি টাকা। এছাড়া সরকারি গাড়ি ব্যবহারের জ্বালানি তেল পোড়াতেই ব্যয় হবে ২৯৮ কোটি টাকা এবং চুক্তিভিত্তিক যানবাহন ব্যবহারে ব্যয় আরও ২০১ কোটি টাকা। এছাড়া মনিহারি পণ্য কেনাকাটায় ৫৮১ কোটি, নির্বাচন পরিচালনায় অংশগ্রহণকারীদের সম্মানি ব্যয় ৫১৫ কোটি, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয় ১৬২ কোটি, মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ১০৮ কোটি, যাতায়াত ভাতায় ১০৯ কোটি এবং বিজ্ঞাপন ও প্রচারে ১০৩ কোটি টাকা ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে। ব্যয়ের তালিকায় সংশ্লিষ্টদের আপ্যায়ন খরচ বাবদ ১৮৪ কোটি, পরিবহণ ব্যয় ৮০ কোটি, অনিয়মিত শ্রমিকদের মজুরি ৩১ কোটি, স্ট্যাম্প ও সিল ১৭ কোটি, মেশিন ও সরঞ্জাম ভাড়া ১৫ কোটি, প্রশিক্ষণ পরিচালনা ব্যয় ৭ কোটি, ব্যালট বাক্স ৫ কোটি এবং অন্যান্য খাতে ৩ কোটি টাকা।

ইসি সূত্র জানায়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে বিশ্বের ১২৩টি দেশ থেকে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। প্রতিটি ভোটের জন্য সরকারকে গড়ে ৭০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। 

এছাড়া সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালান। কিন্তু গণভোটে কোনো প্রার্থী বা প্রতীক না থাকায় গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ভোটারের মধ্যে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝাতে পৃথকভাবে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হচ্ছে, যা নির্বাচন কমিশনকেই করতে হচ্ছে। এ কারণেই নির্বাচনি কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারিত হচ্ছে, খরচও বাড়ছে। এছাড়া নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে ইসি। ১০ লাখের বেশি প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রুপে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভোটগ্রহণের ৪-৫ দিন আগে শেষ হবে। এ প্রশিক্ষণ খাতে প্রায় ৭ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। তবে নির্বাচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার পর সম্মানি দেওয়া হবে।

আগে খরচ যেমন ছিল : নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭০০ কোটি টাকার মতো। যদিও পরে তা কিছুটা বাড়ানো হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো অংশ নেয়। এর আগে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল। ওই নির্বাচনের জন্য খরচ হয় প্রায় ২৬৫ কোটি টাকা। এছাড়া ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের জন্য ব্যয় হয় প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা। কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবস্থাপনা ও নির্বাচনি নানা উপকরণের খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ার কারণেই ক্রমশ নির্বাচনের খরচ বাড়ছে।



ভালুকায় বিএনপি ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা, অগ্নিসংযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক ছাত্রদল নেতার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায়ছবি: প্রথম আলো


 ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ও দলটির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি এ হামলা চলে। এতে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম ভালুকার বাটাজোড় এলাকায় গণসংযোগ করতে যান। সন্ধ্যার আগমুহূর্তে সেখানে ধানের শীষের সমর্থকেরা হামলা চালান। পরে স্থানীয় লোকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে গাড়িতে তুলে দিলে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।

এ ঘটনার খবরে সন্ধ্যার দিকে ভালুকা পৌর সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় একটি দল। এ সময় পাঁচ-সাতজন আহত হন এবং কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির দলীয় লোকজন জড়ো হয়ে পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব আদি খানের (শাকিল) কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ ছাড়া ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মোর্শেদ আলমের ভালুকা পৌর সদরের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সীড স্টোর বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও সড়কে আগুন দেওয়া হয়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।


রাত আটটার দিকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাত পৌনে ১০টার দিকে পৌরশহরে পুলিশ, সেনাবাহিনীর ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হলেও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও উত্তেজনা চলছিল। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার জের ধরে পৌর এলাকার সকল দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করা ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রচারণার সময় ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র স্বতন্ত্র ও বিএনপির প্রার্থীর লোকজন একে অপরের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করেছেন। আজ সন্ধ্যায় এ গন্ডগোল শুরু হয়, আগুন দেওয়া হয়েছে। চার-পাঁচটি স্পটে এসব ঘটনা হয়েছে। এসব নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

রাত আটটার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, ‘তিন দিন ধরেই নির্বাচনী প্রচারে ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার নেতা–কর্মীদের বাধার সৃষ্টি করছিল। আজ সন্ধ্যায় গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে পেছন থেকে এসে আমাকে ঘেরাও করে হামলা করে। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে গাড়িতে তুলে নিরাপদে পাঠায়। এর আগে উপজেলার কাঁঠালি এলাকায় আমার দুজন কর্মীকে মাইক্রোবাসসহ আটকে মারধর করা হয়। আমার দলীয় কার্যালয়, ছাত্রদলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এখনো ভাঙচুর চলছে, বিভিন্ন জায়গায় ঝামেলা হচ্ছে। আমি সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাব।

বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের সময় সেখানে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন পরিচালনা–সংক্রান্ত সভা করার সময় অতর্কিত হামলা চালান স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, দলীয় কার্যালয়ে কারা হামলা করেছে, তা শনাক্ত করে পরে জানাবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অনেকে অভিযোগ করতে পারে, এতে কী আসে যায়।’

৮ ঘণ্টার বৈঠকে হঠাৎ কীভাবে এলেন সাকিব



গত শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালকদের সভা হয়েছে প্রায় আট ঘণ্টা। দীর্ঘ এ লোচনার এক ফাঁকে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে আবার খেলানোর কথা তোলেন প্রভাবশালী এক পরিচালক, তাঁকে সমর্থন দেন আরও দুজন। হঠাৎ তাঁদের ওই আলোচনা তুলতে দেখে বিস্মিত হন বৈঠকে উপস্থিত কেউ কেউ।

সাধারণত বোর্ড পরিচালকদের সভায় কী কী আলোচনা হবে, তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেদিন সবাইকে সাকিবের বিষয়টি জানানো হয়নি। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে বিসিবি পরিচালক আমজাদ হোসেন দাবি করেন, পরিচালকদের ‘সর্বসম্মতিক্রমে’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সাকিব এখন থেকে জাতীয় দলে খেলার জন্য বিবেচিত হবেন।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলা, পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগের আলোচনার ভিড়ে হঠাৎ তাঁর এমন ঘোষণায় বিস্ময় ছড়িয়ে পড়ে সবার মধ্যে। সংবাদ সম্মেলনেই জানানো হয়, সাকিবের ‘ফর্ম-ফিটনেস’ ঠিকঠাক থাকলে, নির্বাচকেরা চাইলে দলে নিতে পারবেন তাঁকে। সঙ্গে বলা হয় আরও একটি শর্তের কথাও, ‘যে ভেন্যুতে খেলা হবে, সেখানে উপস্থিত থাকার সক্ষমতা থাকতে হবে।’

সাকিবের জাতীয় দলে খেলা নিয়ে জটিলতা এখানেই। বাংলাদেশের মাঠে খেলার ‘সক্ষমতা’  তাঁর তো প্রায় দেড় বছর নেই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময়টায় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। এরপর আর দেশে ফিরতে পারেননি নৌকা প্রতীকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়া সাকিব। বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আরও অনেকের মতো সাকিবের নামেও হত্যা মামলা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে শেয়ার কেলেঙ্কারির অভিযোগ আছে, আছে দুদকের মামলাও। এমনকি জারি হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। দেশে এলে এসব মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন সাকিব। তাই জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি ‘প্রবাসী’।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। ওই বছরের অক্টোবরে দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা ছিল তাঁর। সেই ম্যাচ খেলার জন্য দেশের পথে থাকলেও পরে নিরাপত্তাশঙ্কায় তাঁকে থমকে যেতে হয় মাঝপথেই। এরপর আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিবের দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক পোস্ট নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।

সেসবের পরিপ্রেক্ষিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্পষ্ট করেই জানিয়েছিলেন, সাকিবকে দেশে ফিরতে না দিয়ে তিনি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। এটাও বলেছিলেন, সাকিবকে আর বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়া যাবে না। সাকিব যাতে আর বাংলাদেশের হয়ে খেলতে না পারেন, সেই স্পষ্ট নির্দেশনাও তিনি বোর্ডকে দিয়েছেন বলে জানান।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার পদত্যাগের পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান অধ্যাপক আসিফ নজরুল। এখন কি সাকিবের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান বদলেছে? সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পক্ষ থেকে এ প্রশ্নের কোনো সরাসরি উত্তর দেওয়া হয়নি। বিসিবির পক্ষ থেকে শুধু জানানো হয়, দেশের হয়ে আবার খেলার জন্য সাকিবের বাধাগুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সভাপতি আমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে বিসিবির একটি সূত্রের দাবি, এ আলোচনা শুরু হয়েছে আরও ১০-১২ দিন আগে। নিরাপত্তা–সংকটে ভারতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ না খেলতে চাওয়ার সিদ্ধান্তের সময় সরকারের সঙ্গে সাকিবকে খেলানোর বিষয়ে যোগাযোগ করা হয় বিসিবির পক্ষ থেকে। সাকিবের ব্যাপারে সরকারের কয়েক মাস আগের অবস্থান এখন বদলে গেছে বলে মনে করে বিসিবি সূত্র। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পরিচালকের দাবি, সরকারের কাছ থেকে সবুজ সংকত পেয়েই বিসিবি সাকিবকে খেলানোর বিষয়টি সামনে এনেছে।
সাকিবও কয়েকটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশের মাটিতে খেলেই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যেতে চান। তাঁর সেই চাওয়া এখন বিসিবিও পূরণ করতে চায়। নতুন করে বিসিবর এ অবস্থানের বিষয়ে মন্তব্য জানতে সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়টি আড়াল করতেই সাকিবকে হঠাৎ খেলানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর বিদায় নেবে, এই সময়ের মধ্যে সাকিবের মামলাগুলো কীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে—এসব প্রশ্নের উত্তরও নেই বিসিবির কারও কাছে।

সাকিব কি তাঁর মামলাগুলো প্রত্যাহার না হলে দেশে এসে খেলতে রাজি হবেন? গ্রেপ্তার হওয়ার ঝুঁকি নেবেন? যদি এসব বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা তিনি না পান, তাহলে তাঁকে দলে বিবেচনার ক্ষেত্রে যে শর্তগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেসবের সঙ্গে তার আগের বাস্তবতার কোনো পার্থক্য নেই।

এসব ব্যাপারে বিসিবির কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের দাবি, সাকিবকে খেলানোর বিষয়ে সরকারের বর্তমান দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এখন ইতিবাচক। তাঁর আইনি জটিলতাগুলো সমাধানের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সাকিব এলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হবে, ঝিমিয়ে পড়া ক্রিকেটের জন্য তা জরুরি। তাতে বিশ্বকাপ না খেলতে পারার যে আক্ষেপ, সেটাও কিছুটা আড়ালে যাবে হয়তো। তবে এর সঙ্গে ক্রিকেটীয় ব্যাপারও আছে—সাকিব সাদা বলের ক্রিকেটে আরও কিছুদিন ভালোভাবেই খেলতে পারবেন বলে মনে করে বোর্ড।

বর্তমানে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে বেড়ানো সাকিবের ফর্ম ও ফিটনেস নিয়েও তাদের তেমন সংশয় নেই। সর্বশেষ আইএল টি-টুয়েন্টি পর্যন্ত সব কটি টুর্নামেন্টই সাকিব খেলেছেন বিসিবির কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নিয়ে।

সাকিব যদি শেষ পর্যন্ত দেশে আসেন এবং জাতীয় দলের হয়ে খেলেন, সে ক্ষেত্রে ওয়ানডেকে তিনি যেন গুরুত্ব দেন, বোর্ডের চাওয়া থাকবে সেটি। এ বছর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের, পরের বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।

কিন্তু এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সরাসরি খেলা নিয়েও ঝুঁকি আছে। ওই বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশকে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে থাকতে হবে। সাকিব এ ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারেন বলে মনে করে বোর্ড। তবে এর আগে অনেক যদি-কিন্তু পাড়ি দিতে হবে সাকিব ও বিসিবিকে

ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দেবেন: তারেক রহমান




এনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এবার সকালবেলা ভোট কেন্দ্রে গেলে হবে না। ভোর বেলায় যেতে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে যাবেন। সেখানে গিয়ে সবাই একত্রিত হয়ে ফজরের জামাত আদায় করবেন। কেউ যেন ষড়যন্ত্র করতে না পারে সেজন্য ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যালট বাক্স পাহারা দেবেন। রোববার রাত ৯টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, ৫ আগস্টে একটি পরিবর্তনের পর মানুষ অনেক প্রত্যাশা করছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেব। কৃষকদেরকে কৃষি কার্ড দেব। বেকার এবং তরুণ সমাজকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। মসজিদের ইমাম-খতিব মুয়াজ্জিনদেরকে ভাতা এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। 

তিনি বলেন, আমরা জানি এ অঞ্চলটি হচ্ছে বাংলাদেশের সবজি ভান্ডার। আবার অনেক তরুণ এবং যুবক বেকার রয়েছে। বিএনপি আল্লাহর রহমতে কয়েকবার দেশ পরিচালনা করেছে। দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিএনপির রয়েছে। বিএনপি দেশ নিয়ে যে পরিকল্পনা করে তা কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হয় সেটা বিএনপির জানা আছে। বিএনপি জানে কিভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়। 

তারেক রহমান বলেন, আমরা বলেছি ক্ষমতায় গেলে মা-বোনদের সহযোগিতার জন্য প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব। আমরা সে কথা বলিনি যে ফ্যামিলির সবকিছু আমরা দেব। আমরা বলেছি ধীরে ধীরে মানুষের চাহিদা পূরণ করব। নির্বাচিত একটা সরকারের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। আমরা চেষ্টা করব মা বোনদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ডটা কিভাবে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যায়। 



পোস্টাল ব্যালট ডাকাতি হতে দেখা যাচ্ছে: তারেক রহমান

একটি দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা আমাদের সমালোচনা করছে তাদের তো দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা নেই। তাই তারা আবোল-তাবোল কথা বলছে। আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে চাই। তারা বলছে এটা নাকি আমরা ধোঁকা দিচ্ছি। আমি যদি ধোঁকা দিই তাহলে তো পরেরবার আপনারা আমাকে বিশ্বাস করবেন না। আমার তো রাজনীতি করতে হবে। তাই কথা দিয়ে কথা রাখার জন্য আমাকে চেষ্টা করতে হবে। আমি যদি জবান দিয়ে জবান না রাখি তখন আপনারা আমাকে বলতে পারবেন। আমরা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সার বীজ অন্যান্য কৃষি সামগ্রী কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেব।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপির বিজয় লাভ করলে ইনশাআল্লাহ দেশের প্রতিটি এলাকায় খাল খনন শুরু করব। আমরা সরকার গঠন করতে পারলে চৌদ্দগ্রামে এসে খাল খনন উদ্বোধন করব। 

বেকারদের নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বেকারদেরকে আমরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিতে চাই। এই প্রশিক্ষণ নিয়ে যেন দেশ-বিদেশে তারা ভালো চাকরি পেতে পারে। এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে যান। আমরা যদি একটা ট্রেনিং সেন্টার করে দিয়ে বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষা দিতে পারি তাহলে বিদেশে গিয়ে আমাদের যুবকরা ভালো কর্মসংস্থান পাবে। আমরা এভাবে দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। 

তিনি বলেন, এই রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইচ্ছা করলে আমি আমাদের প্রতিপক্ষের তুমুল সমালোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আমি তা করি না। সামনে নির্বাচন দেশের মানুষের জন্য আমি কী করতে চাই সেটা মানুষ জানতে হবে। আমি যদি অন্য মানুষে সমালোচনা করি তাহলে মানুষের পেট ভরবে না। বড় কথা বলে লাভ নেই। বিএনপি ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে কোনো পরিকল্পনা দেয়নি। তারা শুধু বিএনপির বদনাম বলে যাচ্ছে। দেশের জন্য কী করতে পারবে জনগণের জন্য কী করতে পারবে সে ধরনের পরিকল্পনা এখনো কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি। কে কী বলল যায় আসে না। আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাবো। 

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমিনুর রশীদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী মো. কামরুল হুদা, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, জাতীয় পার্টির(জাফর) নেতা কাজী নাহিদ প্রমুখ। 

অসাধারণ একটি গান